ঝিনাইদহের ফুল চাষিরা: শত কোটি টাকার বিক্রির আশা

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি।
ঝিনাইদহে ২১২ একর জমিতে ফুলের চাষ দুদিন পরই পহেলা ফাল্গুন ও বিশ্ব ভালোবাসা দিবস। এর এক সপ্তাহ পরেই আর্ন্তজাতিক মাতৃভাষা দিবস। এই তিন দিবসের বাজার ধরতে ঝিনাইদহে শেষ মুহুর্তে ফুলের বাগান পরিচর্যায় ব্যস্ত কৃষকেরা। দিবসগুলোতে ফুল বিক্রি করে সারা বছরের লাভ-লোকসানের হিসেব কষবেন তারা। শুধু ফেব্রুয়ারিতেই শত কোটি টাকার ফুল বিক্রি হবে বলে আশা করছেন ফুল ব্যবসায়ী ও চাষীরা।


যশোরের পরেই দেশের বৃহত্তম ফুল উৎপাদনকারী জেলা ঝিনাইদহ। জেলার ৬ উপজেলার মধ্যে চারটিতেই গোলাপ, গাঁদা, জারবেরা, গ্লাডিওলাস, টিউলিপ, থাই গোলাপ, চন্দ্রমল্লিকা, রজনীগন্ধসহ বাহারী রঙের ফুলের চাষ হচ্ছে প্রায় তিন দশক ধরে। বছরের এই সময়কে টার্গেট করে থাকেন চাষিরা। বসন্ত বরণ, ভালোবাসা দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে ফুলের চাহিদা বেড়ে যায় কয়েকগুন। তাই ভালো ফলন পেতে শেষ সময়ে ফুল বাগানে চলছে পরিচর্চা। করা হচ্ছে আগাছা দমন, সেচ, সার ও কীটনাশক প্রয়োগ। বাজারে সব ধরণের ফুলের দাম প্রথম থেকেই কম রয়েছে। তবে আগামী দিবসগুলোতে চড়াদামে ফুল বিক্রি করতে পারলে, সারা বছরের খরচ পুষিয়ে লাভবান হবেন ফুল চাষীরা। রং, আকৃতি আর গন্ধের কারণে এই অঞ্চলের ফুলের চাহিদা বেশি। জেলার চাহিদা মিটিয়ে এ জেলার ফুল ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেটসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে সরবরাহ হয়ে থাকে।

মো. জমির উদ্দিন, সভাপতি, জেলা ফুলচাষী ও ব্যবসায়ী সমিতি,ঝিনাইদহ

গত বছরের চেয়ে এবার ফুলের চাহিদা বেশি। এছাড়া আবহাওয়া ভালো থাকায় ফুলের মান ভালো হয়েছে। এতে ভালো দাম পাওয়ায় গতবছরের লোকসান কাটিয়ে চাষিরা বেশি লাভবান হবেন বলে আশা করছেন।
ফুল চাষী ও ব্যবসায়ী

কৃষি বিভাগের এই কর্মকর্তা বলছেন, আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় উৎপাদন আশানুরূপ। বাজার জমে উঠলেই কাক্সিক্ষত দাম পাবেন চাষি।