বরিশালে ডিসির বিরুদ্ধে গভীর ষড়যন্ত্র

জে আই জুয়েল।।

বরিশাল জেলা প্রশাসক কার্যালয় থেকে কতিপয় অসাধু ব্যক্তিদের অন্যত্র বদলি করায় এবং ব্যক্তি সুবিধাসহ দুর্নীতি বন্ধ করায় ওই অসাধু ব্যক্তিদের ইন্দনে একটি মহল মিথ্যা বানোয়াট ভিত্তিহীন অপপ্রচার চালাচ্ছে বরিশালের স্বনামধন্য সৎ, আদর্শবান জেলা প্রশাসকের বিরুদ্ধে।

প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কতৃপক্ষ বরিশাল জেলা প্রশাসক সম্পর্কে অবগত আছেন বলে জানান ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের একজন। তিনি নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন বরিশালের জেলা প্রশাসক সম্পর্কে একাধিকবার মিথ্যা, বানোয়াট, ভিত্তিহীন অভিযোগ সামনে এনে তার বিরুদ্ধে যে অপপ্রচার চালাচ্ছে তা পুরো প্রশাসনের জন্য একটি হুমকি স্বরূপ,কেননা যারা ভাল কাজ করে তাদের বিরুদ্ধে বেশি অপপ্রচার বর্তমানে দেখা যাচ্ছে। যখনই যার স্বার্থে আঘাত লাগে তখনই তিনি বিভিন্নভাবে সৎ, আদর্শবান, নিষ্ঠাবান অফিসারদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন মাধ্যম দিয়ে অপপ্রচার চালায়। তিনি আরো বলেন, তবে যদি কোন তথ্যের সত্যতা থাকে তার বিরুদ্ধে অবশ্যই ব্যবস্থা নেওয়া হবে।কিন্তু কোন মিথ্যা তথ্য দিয়ে ঢালাও ভাবে অপপ্রচার চালালে তা হবে গাছে কাঁঠাল গোঁফে তেলের মত অবস্থা।

বরিশাল জেলা প্রশাসকের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের যেসব অভিযোগ আনা হয়েছে তার কোন বৈধ প্রমাণ অভিযোগকারীদের কাছে নেই বলে জানান জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের একজন কর্মকর্তা। তিনি বলেন জেলা প্রশাসক হিসেবে খাইরুল আলম সুমন যেদিন যোগদান করেছেন তারপরে বরিশাল জেলা প্রশাসক কার্যালয় একটি পয়সারও দুর্নীতি হয় নাই তিনি সম্পূর্ণ কজন স ৎ অফিসার বলে আখ্যা দিয়েছেন ওই কর্মকর্তা।তিনি আরো বলেন যারা বরিশাল জেলা প্রশাসক কার্যালয় দীর্ঘদিন একই পদে ছিল এবং বিভিন্নভাবে সেবা প্রার্থীদের কাছ থেকে অনৈতিক সুবিধা নিত তাদেরকে অন্যত্র সরিয়ে দেওয়াই যেন কাল হয়েছে বরিশাল জেলা প্রশাসক খাইরুল আলম সুমন এর। ওই কর্মকর্তা আরো বলেন ঐ সব অবৈধ ব্যক্তিরা তাদের অবৈধ কালো টাকা খরচ করে বরিশাল জেলা প্রশাসকের বিরুদ্ধে অপপ্রচারে মেতে উঠেছে যাহা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন, মিথ্যা, বানোয়াট, মনগড়া।

ওই কর্মকর্তা আরো বলেন আপনারা দেখবেন যে পারিবারিক একটি মীমাংসিত বিষয় পুঁজি করে সেই পুঁজি বারবার সামনে এনেও বরিশাল জেলা প্রশাসককের সম্মানহানি করার জন্য উঠে পড়ে লেগেছিল ওই দুর্নীতিবাজ ঈর্ষান্বিত মহলটি।

বরিশাল জেলা প্রশাসক কতিপয় দুর্নীতিবাজদের দুর্নীতি বন্ধ করায় তার এই অপপ্রচারের সূত্রপাত হচ্ছে বলে ধারণা করেছেন একাধিক কর্মকর্তা,কর্মচারী ও বরিশালের সচেতন মহল।

বরিশাল জেলা প্রশাসক বরিশাল জেলার নির্বাচনকালীন কঠিন সময় যোগদান করার পর বরিশাল জেলায় অবাধ,সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ এবং কোন ধরনের কোন অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়াই শান্তিপূর্ণ একটি জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপহার দিয়ে প্রশংসা কুড়িয়েছেন বরিশালের সর্ব মহলের। যা আবার একটি মহলের কাছে মরার উপর খাড়ার গায়ের মত আঘাত লেগেছিল তাই তারা নির্বাচনকালীন অর্থ আত্মসাৎ নিয়ে জেলা প্রশাসকের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে।

বরিশাল জেলার স্বনামধন্য জেলা প্রশাসক খাইরুল আলম সুমন বরিশাল জেলায় যোগদান করার পর থেকেই বরিশাল জেলার উন্নয়নমূলক কর্মকান্ড অব্যাহত রেখে এবং বাংলাদেশ সরকারের যে সকল কর্মসূচি আছে সকল কর্মসূচি সঠিকভাবে সততার সাথে পালন করে আসছেন অদ্যাবধি।বরিশাল জেলা প্রশাসকের সততার সাথে কাজ করাই যেন অনেকের গায়ের জ্বালা হয়ে দাঁড়ায়। তাই তাকে বিভিন্ন ধরনের মিথ্যা তোহমত দিয়ে অত্র পথ থেকে অন্যত্র সরিয়ে দিতে পারলে আবার এই দুর্নীতিবাজ মহলটি লুটেপুটে খাওয়ার ধান্দা খুঁজছে।

জেলা প্রশাসক খাইরুল আলম সুমন বরিশাল জেলায় যোগদানের পরে শতভাগ সততার সাথে যেসব প্রজেক্টসহ উন্নয়নমূলক কর্মকান্ড পরিচালনা করেছেন তা একেবারে দিনের আলোর মত জ্বলজ্বল করছে বরিশাল বাসির চোখের সামনে।